২০২১-এর মতোই ২০২৪ সালে হবে, লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী দোলা সেনের! - breaking gram

Breaking

Tuesday, 21 June 2022

২০২১-এর মতোই ২০২৪ সালে হবে, লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী দোলা সেনের!


২০২১-এর মতোই ২০২৪ সালেও হবে। সোমবার হাওড়ায় (Howrah) এক শ্রমিক সমাবেশে এসে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী দোলা সেন (Dola Sen)। সরাসরি নরেন্দ্র মোদীকে তোপ দেগে তিনি বলেন, "অব কি বার ২০০ পার! যতবার ওরা একথা বলেছে, মানুষ শেষ কথা বলেছে। ২০২১ এ যা হয়েছে, ২০২৪-এও তাই হবে। মোদীবাবুর ক্ষমতা নেই।" এদিন হাওড়ায় একের পর এক জুটমিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন দোলা সেন। বরং জুটমিল বন্ধ হওয়ার জন্য কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সরকারকেই দায়ী করেছেন তিনি।

হাওড়ার জুটমিল খোলা প্রসঙ্গে দোলা সেন বলেন, হাওড়ায় ১৫টি জুটমিলের বেশিরভাগই খোলা। দু-একটা বন্ধ আছে। তবে শীঘ্রই সেটিও খুলে যাবে। সেগুলি অবিলম্বে খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে পাটের দাম বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল সাংসদ (Dola Sen) বলেন, "কেন্দ্র চক্রান্ত করে কাঁচা পাটের দাম বৃদ্ধি করেছে। এর জেরেই হাওড়ায় কয়েকটি চটকল বন্ধ হয়েছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় আবার পরিস্থিতি বদলেছে।" তাই জুটমিল শ্রমিকদের আশ্বস্ত করে তৃণমূল নেত্রীর (Dola Sen) বার্তা, চিন্তার কিছু নেই। হাওড়ার বন্ধ হয়ে যাওয়া চটকলগুলো শীঘ্রই চালু হবে।


প্রসঙ্গত, কাঁচা পাটের দাম বৃদ্ধি থেকে পাটচাষিদের উপযুক্ত সহায়ক মূল্য না পাওয়া নিয়ে কয়েক মাস আগে সরব হয়েছিলেন তৎকালীন BJP নেতা তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। গোটা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। যা নিয়ে দলের সঙ্গে তাঁর সংঘাত শুরু হয়। তারপর পাটচাষি থেকে জুটমিল শ্রমিকদের জন্য সওয়াল করে দিল্লিতে গিয়ে পর্যন্ত দরবার করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়ে চিঠি লেখেন। অর্জুন সিংয়ের তৎপরতায় অবশ্য পাটচাষিদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি করে কেন্দ্র। কিন্তু তাঁর সমস্ত দাবি পূরণ হয়নি।

তারপর হুগলি নদীর উপর দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। অবশেষে পাটশিল্প ইস্যুকে হাতিয়ার করেই সাংসদ অর্জুন সিং BJP ত্যাগ করে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন। এবার তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনও হাওড়ায় এসে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন সেই পাটশিল্প ইস্যু নিয়ে।

প্রসঙ্গত, একসময়ে হাওড়া (Howrah), হুগলির (Hooghly) অন্যতম শিল্প ছিল পাটশিল্প। কিন্তু মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্ব, শ্রমিকদের ঠিকমতো মজুরি না দেওয়া, হরতাল সহ নানান ইস্যুতে একের পর এক জুটমিল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে হাওড়ায় জুটমিলের সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৫। তার মধ্যেও অনেকগুলি বেশ কয়েকমাস ধরে বন্ধ রয়েছে। যদিও এদিন দোলা সেনের দাবি, দু-একটি জুটমিল বন্ধ রয়েছে। সেগুলিও শীঘ্রই খোলা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

No comments:

Post a Comment